দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন রুটে গণপরিবহনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। টার্মিনালগুলোতে বাসের অপেক্ষায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও, পরিবহন মালিকদের দাবি-যাত্রী এতটাই কম যে গাড়ি নামালে তেলের খরচও উঠছে না।
রোববার (২২ মার্চ) সকালে রাজধানীর সায়দাবাদ, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ কাউন্টার বন্ধ। দুই-একটি বাস ছাড়লেও সেগুলোতে অর্ধেকের বেশি আসন খালি। চালক ও সহকারীদের অলস সময় পার করতে দেখা গেছে।
একজন বাস চালক জানান, ঈদের ছুটিতে মানুষ এখন ঘরে। খুব জরুরি না হলে কেউ বের হচ্ছে না। সকালে একটা ট্রিপ নিয়ে বের হয়েছিলাম, কিন্তু যাত্রী পেয়েছি মাত্র ১০-১২ জন। এই ভাড়ায় ডিজেলের দামই উঠছে না, মালিকের লাভ তো দূরের কথা।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের প্রথম দুই দিন সাধারণত যাত্রী সমাগম সর্বনিম্ন থাকে। যারা ঢাকা ছাড়ার তারা আগেই চলে গেছেন, আর ফেরার চাপ শুরু হবে আরও দু-তিন দিন পর। এই মধ্যবর্তী সময়ে গাড়ি চালানো মানেই লোকসান। এ কারণে অনেক মালিক লোকসান এড়াতে রাস্তা থেকে গাড়ি তুলে নিয়েছেন।
ট্রান্সসিলভা পরিবহনের চালকের সহকারী রুবেল বলেন, রাস্তায় যাত্রী খুব কম। মানুষ ঢাকায় না ফেরা পর্যন্ত অবস্থা এমনই থাকবে। ঈদের পর কয়েকদিন খরচ ওঠানো কষ্ট হয়ে যায়। সব গাড়ি তো আর বসিয়ে রাখা যায় না। তাই মালিক কিছু গাড়ি নামিয়েছে।
পরিস্থান পরিবহনের চালকের সহকারী বলেন, ভাই গাড়ি নামালেই লস। এখন পর্যন্ত খরচের টাকাও ওঠেনি। যাত্রীই নেই।
এদিকে সড়কে গণপরিবহন কম থাকায় বিপাকে পড়েছেন জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া যাত্রীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে বাস না পেয়ে অনেকে রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চড়ছেন, যেখানে গুণতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।
আশা করা হচ্ছে, ঈদের ছুটি শেষ হলে আগামী মঙ্গলবার বা বুধবার থেকে আবারও সড়কে যাত্রী ও পরিবহনের স্বাভাবিক ব্যস্ততা ফিরবে।
কে